|
|
||
|
কার্যক্রম |
বর্তমান অবস্থা |
ভবিষ্যত পরিকল্পনা |
|
১. সেচ কাজে ভূ-পরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধি |
|
|
|
ক) নদী, খাল, পুকুর, বিল ইত্যাদি পুনঃ খনন, |
ভূ-পরিস্থ পানির সংরক্ষণ, ভূ-গর্ভস্থ পানির রিচার্জ বৃদ্ধি ও জলাবদ্ধতা নিরসণকল্পে জেলার খাস, মজা মরা নদী, খাল, পুকুর, বিল ইত্যাদি পুনঃ খননের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৮.৪০ কিঃ মিঃ খাল পুনঃ খনন করা হয়েছে। |
সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ৩০.০০ কিঃ মিঃ |
|
খ) সেচ কাজে বৃষ্টি ও ভূ-পরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধি, |
পুনঃ খননকৃত খাল, পুকুর, বিলে সংরক্ষিত বৃষ্টির পানি ও নদীতে এলএলপি স্থাপনের মাধ্যমে সেচ কাজে ভূ-পরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধি করা। বতমানে ০৪ টি এলএলপি সেচ কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। |
সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ১০ টি বিদ্যুৎ চালিত এলএলপি স্থাপন |
|
২. সেচ কাজে পানি ব্যবহারের দক্ষতা বৃদ্ধি |
|
|
|
ক) ভূ-গর্ভস্থ সেচ নালা নির্মাণ, |
ভূমি ও পানির অপচয় রোধকল্পে অর্থাৎ সেচ দক্ষতা বৃদ্ধির নিমিত্তে প্রতিটি সেচ যন্ত্রে ভূ-গর্ভস্থ সেচ নালা নির্মাণ ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ফিতা পাইপের ব্যবহার বৃদ্ধি করা। বর্তমানে ১৭০৮ কিঃ মিঃ ভূ-গর্ভস্থ সেচ নালা নির্মাণ করা হয়েছে এবং ব্যবহার করা হচ্ছে। |
সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ৫০০ টি সেচ যন্ত্রে ৭৫০ কিঃমিঃ ভূ-গর্ভস্থ সেচ নালা নির্মাণ |
|
খ) সেচ কাজে ফিতা পাইপের ব্যবহার, |
ভূমির অপচয় রোধকল্পে এবং পরিমিত সেচ সেচ প্রদানের জন্য ফিতা পাইপ ব্যবহার বৃদ্ধি করা। বর্তমানে ৩০০০ মিঃ ফিতা পাইপ ব্যবহার করা হচ্ছে। |
বিভিন্ন সেচযন্ত্রে সম্ভাব্য ৪০০০০মিটার ফিতা পাইপ ব্যবহার |
|
গ) আধুনিক সেচ প্রযুক্তি ব্যবহার (স্প্রিংকলার, ড্রিপ ও ভ্যালি ইরিগেশন), |
সেচ ব্যবস্থাপণা আধুনিকায়ন ও সর্বোপরি সেচের পানির অপচয় রোধকল্পে (স্প্রিংকলার, ড্রিপ ও ভ্যালি ইরিগেশন) ব্যবহার। |
বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ পূর্বক ২০০ টি পাতকুয়াই ১০০ কিঃমিঃ পাইপ লাইন স্থাপন, বর্নিত প্রযুক্তি ব্যবহার করে সবজি জাতীয় ফসলে সেচ প্রদান করা সম্ভব। |
|
ঘ) স্মার্ট কার্ড বেইজড প্রি-পেইড মিটার ও টেলি মিটারিং সিস্টেম চালু করণ, |
সেচ ব্যবস্থাপণা আধুনিকায়ন, স্বল্প খরচে সেচ গ্রহণ ও সর্বোপরি সেচের পানির অপচয় রোধকল্পে স্মার্ট কার্ড বেইজড প্রি-পেইড মিটার ও টেলি মিটারিং সিস্টেম চালু করণ। বর্তমানে ১৭০৮ টি সেচ যন্ত্রে প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে। |
সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ৫০০টি সেচযন্ত্র |
|
৩. সেচ কাজে সৌর শক্তির ব্যবহার |
বিদ্যুতের উপর চাপহ্রাস কল্পে ও সেচকাজে সৌরশক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষে সৌরশক্তি চালিত পাম্প এর ব্যবহার বৃদ্ধি করা। |
বৃদ্ধি, সম্ভাব্য ২০০টি সোরশক্তি চালিত এলএলপি স্থাপন |
|
৪ সৌরশক্তি চালিত পাতকুয়া (Dugg Well) খনন, |
বরেন্দ্র এলাকায় ভূ-গর্ভস্থ ও ভূ-পরিস্থ পানির সমন্বিত (Conjunctive) ব্যবহার ও ভূ-গর্ভস্থ পানির অতিমাত্রা ব্যবহার সীমিত করণে খরা সহষ্ণিু ও স্বল্প পানি গ্রাহী ফসলে সেচ প্রদানের নিমিত্তে সৌরশক্তি চালিত পাতকুয়া (Dugg Well) খনন করা। |
২০০ টি পাতকুয়া (Dugg Well) খননের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা। |
|
৫ উৎপাদিত কৃষিপণ্য পরিবহণ ও বাজারজাত করণের লক্ষ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন |
|
|
|
ক) গ্রামীণ সড়ক পাকা করণ |
কৃষকের উৎপাদিত কৃষিপণ্য পরিবহণ ও বাজারজাত করণের লক্ষ্যে গ্রামীণ সড়ক পাকা করণ। |
সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ১৩০ কিঃমিঃ পাকা রাস্তা নির্মান |
|
খ) পুনঃ খননকৃত খাল/নদীতে ফুট ওভার ব্রীজ নির্মাণ |
|
সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ১০০ টি ফুট ওভার ব্রীজ নির্মানের স্থাপন |
|
৬. রাবার ড্যাম নির্মাণ |
নদীর পানি সেচ কাজে ব্যবহার ও মাছের অভয়াশ্রম সংরক্ষণের নিমিত্তে আত্রাই নদীর মাদারগঞ্জ ব্রীজের আপষ্টীমে এবং বীরগঞ্জ উপজেলায় নর্ত নদীতে কুঠিপুলের ২০০ফুট আপষ্টীমে রাবার ড্যাম নির্মাণ। |
সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ০২ টি রাবারড্যাম স্থাপন |
|
৭ বনায়ন |
প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার্থে পুনঃ খননকৃত নদী, খাল, পুকুর ও রাস্তা/বাঁধে বৃক্ষ রোপণ। বর্তমানে দিনাজপুর জেলায় ১১.১৮ লক্ষ বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার্থে এবং বর্জ পাত নিরোধ এর জন্য পুনঃ খননকৃত নদী, খাল, পুকুর ও রাস্তা/বাঁধে তাল বীজরোপণ। বর্তমানে দিনাজপুর জেলায় ৫.৩০ লক্ষ তাল বীজ রোপণ করা হয়েছে।
|
ক) সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ২০ লক্ষ বিভিন্ন জাতের ফলদ,বনজ ও ওষধি গাছের চারা রোপন। খ) ১০ লক্ষ তালবীজ রোপনের সম্ভাব্য লক্ষমাত্রা। |
|
৮ কৃষক প্রশিক্ষণ |
আধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর কৃষি সম্পর্কে কৃষক প্রশিক্ষণ প্রদান। বর্তমানে দিনাজপুর জেলায় ৬৮০১ জন কৃষককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। |
২০০০০ জন কৃষক প্রশিক্ষণের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা। |
|
৯ উন্নত জাতের বীজ উৎপাদন ও বিপণন |
দিনাজপুর জেলায় বিএমডিএর আওতায় বোরো মৌসুমে প্রয়োজন হয় প্রায় ১৫৬০ মেঃটন ও আমন মৌসুমে প্রয়োজন হয় প্রায় ১২১২মেঃটন। বর্তমানে বিএমডিএ প্রায় ২০হতে ২৫ মেঃ টন বীজ সরবরাহ করা হয়ে থাকে। |
প্রতি বছর গড়ে ২০ টন উন্নত জাতের ধান ও গম বীজ বিতরণ |
|
১০. বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ |
স্থাপিত গভীর নলকূপ হতে গ্রামীণ জনপদে আর্সেনিকমুক্ত বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ স্থাপনা নির্মাণ। বর্তমানে নাটোর জেলায় ১৩৬ টি স্থাপনার মাধ্যমে ৪৩৯২৭ জন গ্রামীণ অধিবাসীকে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। |
২০০ টি খাবার পানি সরবরাহ স্থাপনা নির্মাণের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা। |
|
|
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস